আলোময়.কম হোম,ইসলাম ও বিজ্ঞান, ফিডব্যাক,অংশ নিন fb page

রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৩

ধূমকেতু, গ্রহাণূ, উল্কা ও উল্কাপিণ্ডদের কথা

এই মজাগতিক বস্তুদের পরিচয়, ধরণ ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আমাদের অনেক সময় তৈরি হয় বিভ্রম। এ বিভ্রমের অবসান করতে এই পোস্ট।
ধূমকেতু (Comet) :
ধূমকেতু হলো বরফ, ধুলো ও গ্যাসের তৈরি এবং বরফাচ্ছাদিত একটি ক্ষুদ্র মহাজাগতিক বস্তু। সূর্যের খুব নিকট দিয়ে যাবার সময় এটার নিউক্লিয়াসের উপর সূর্যের বিকিরণ ও সৌরবায়ূর কারনে এটার বায়ূমণ্ডল ও এবং কখনো লেজও দেখা যাবার কারণে এটা দৃশ্যমান হয়। একটি ধূমকেতুর পর্যায়কাল কয়েক বছর থেকে শুরু করে কয়েকশ’ হাজার বছর পর্যন্ত হতে পারে। ধূমকেতুকে উল্কা বা গ্রহাণূ থেকে পৃথক করে চেনা যায় এর নিউক্লিয়াসকে ঘিরে থাকা প্রসারিত হায়ূমণ্ডলের কারণে। ধূমকেতুর প্রধান  অংশগুলো হল নিউক্লিয়াস,  কোমা যা নিউক্লিয়াসের পরপরই কেন্দ্রীয় বায়ুমণ্ডলকে ঘিরে থাকে ও লেজ যা অপেক্ষাকৃত রৈখিক। হ্যালির ধূমকেতু সহ বেশ কিছু ধূমকেতু নির্দিষ্ট সময় পরপর একই স্থানে ফিরে আসে।



গ্রহাণূ (Asteroid)ঃ এরা হলো সূর্যের কাছাকাছি অবস্থিত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গ্রহ। যদিও সৌরজগতের বাইরেও এদের উপস্থিতি চোখে পড়ে, তাদের সাথে ধূমকেতুর মিল থাকায় বর্তমানে গ্রহানূ বলতে শুধু সৌরজগতের বস্তুকে বেশি বোঝানো হয়। বেশিরভাগ গ্রহাণুই মঙ্গল এবং বৃহস্পতি গ্রহের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত
উল্কা (Meteor): পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে উত্তপ্ত ও দীপ্তমান উল্কাপিণ্ডের পতনের সময় তা থেকে নিঃসৃত আলোকরেখাকে উল্কা বলে।  অর্থ্যাৎ এটা হলো জাস্ট একটি দ্যুতি যা পড়ন্ত উল্কা থেকে বের হয়। একে প্রচলিত ভাষায় পড়ন্ত তারা (Falling Star) বা Shooting Star ও বলে।
উল্কাপিণ্ড ( Meteorite): উল্কাপিণ্ড হল গ্রহাণূ, ধূমকেতু ইত্যাদি থেকে বেরিয়ে আসা ধ্বংসাবশেষ যা মহাশুণ্যে উৎপন্ন হয়ে পৃথিবীতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। পৃথিবীতে পৌঁছানোর পূর্বে একে Meteoroid বলে। এটি বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে ঘর্ষণ, চাপ এবং বায়ুমণ্ডলীয় গ্যাসের সাথে রাসায়নিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয় এবং শক্তি বিকিরণ করে জ্বলে উঠে। তখনই এর নাম হয় উল্কা।
তাহলে, We can sum up,  যে বস্তুটি ধেয়ে আসে সেটি হল Meteoroid, যখন এটি জ্বলতে থাকে, নাম হয় উল্কা, আর পৃথিবীতে পৌঁছে গেলে এর নাম হয় Meteorite বা উল্কাপিণ্ড।

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন